উত্তর কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশের ৫ গোলে হার

ডেস্ক রিপোর্ট
  ০৬ মার্চ ২০২৬, ১৬:০২

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে খেলছে। নিজেদের অভিষেক ম্যাচে চীনের বিপক্ষে ০-২ গোলে হেরেছিল। সিডনির কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামে আজ (শুক্রবার) দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার কাছে ০-৫ গোলে হেরেছে। 
ফুটবলে ৪ গোলে হারা খানিকটা বড় ব্যবধানই। তবে বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়ার ফুটবল র‌্যাংকিং ও শক্তিমত্তা বিবেচনায় এটা তেমন অস্বাভাবিক কিছু নয়। বাংলাদেশের র‌্যাংকিং যেখানে ১১২, সেখানে উত্তর কোরিয়ার ৯। এই টুর্নামেন্টে সবেচেয়ে ভালো র‌্যাংকিংয়ের দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৫ গোলে হার।
চীন এশিয়ান কাপের বর্তমান ও সর্বাধিক ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন। সেই তাদের বিপক্ষে সমানে সমান লড়ে ২-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে চীন বাংলাদেশের জালে বলই পাঠাতে পারেনি। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের সাথে দারুণভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পর উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধেও প্রত্যাশা বেড়েছিল।
র‌্যাংকিং ও শক্তিমত্তায় এগিয়ে থাকলেও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের কোচ পিটার বাটলার খুব বেশি রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলাননি। উত্তর কোরিয়া ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ছিল। গোলরক্ষক মিলি একাধিক সেভ করেছেন। প্রথমার্ধেই স্কোরলাইন ৫-০ হতে পারতো। উত্তর কোরিয়ার তিনটি গোল ভিএআরে বাতিল হয়– একটি হ্যান্ডবল, আরেকটি ফাউল আরেকটি অফ সাইডে। প্রথমার্ধ সমতায় শেষ করার আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে। অধিনায়ক আফিদা খন্দকার বক্সের মধ্যে ফাউল করে পেনাল্টি উপহার দেন। মিনিট খানিক পর ডিফেন্সের ভুলে আরেকটি গোল পায় উত্তর কোরিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধেও খেলার চিত্র তেমন বদলায়নি। উত্তর কোরিয়ার আক্রমণ অব্যাহত থাকে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার কয়েকটি দারুণ সেভ করেছেন। এরপরও পরাজয়ের ব্যবধান বড় হয়েছে। ৬৩ ও ৬৪ মিনিটে টানা দুটি গোল পায় উত্তর কোরিয়া। ম্যাচের শেষের দিকে আরেকটি গোল হয়। 
বাংলাদেশ চীনের বিপক্ষে কয়েকটি প্রতি আক্রমণ করেছিল। আজকের ম্যাচে চীনের বক্সে সেভাবে বল নিতে পারেনি বাংলাদেশ। কোনো শটই নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ঋতুপর্ণা চাকমা বক্সের আশেপাশে থাকলেও আজ বলের যোগান পাননি সেভাবে। 
বাংলাদেশ প্রথমার্ধেই তিনটি পরিবর্তন করে। গত ম্যাচে বদলি হিসেবে খেলা আনিকা ও স্বপ্না এবার প্রথমার্ধেই নামেন। উমহেলা একাদশে থাকলেও আজ প্রথমার্ধের শেষের দিকে নামেন। একাদশে ফেরা তহুরা ও আইরিন ম্যাচে ৪৫ মিনিটের বেশি সময় স্থায়ী হতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে নবীরনের পর উন্নতি খাতুনকে নামান বাটলার।