বদলে যাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ, যা বলছে সমীক্ষায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
  ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:৪৬

একটা সময় ছিল, যখন একটার বেশি দুটি প্রেম করাকে অন্যায়ের চোখে দেখা হতো। বিয়েকে জন্ম-জন্মান্তরের বন্ধন হিসেবে গণ্য করা হতো। সেই দিন আর নেই, বদলে গেছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম বা বর্তমান জেনারেশন জি, তাদের অনুভূতি সম্পর্কে অনেক বেশি ভোকাল। এমনকি একবার সম্পর্কে জড়ালে, ভালো-খারাপ যাই হোক, সেই সম্পর্ক বয়ে বেড়াতে হবে— এমন ধারণার বিপক্ষে তারা। যতদিন যাচ্ছে, সেই তালিকা বাড়ছে। সেই মতধারার বিশ্বাসী ব্যক্তির সংখ্যাও নেহাত কম নয়। অন্তত তেমনটাই বলছে সমীক্ষা।
কারণ এক হাজার ৫১০ জনকে নিয়ে বিবাহবহির্ভূত ডেটিং প্ল্যাটফর্ম গ্লিডেন একটি সমীক্ষা চালিয়েছে। সেই সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে— ৬৯ শতাংশ উত্তরদাতাই বিশ্বাস করেন যে, খোলামেলা সম্পর্কের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিবর্তন কেবল মহানগর অঞ্চলে সীমাবদ্ধ, তা নয়। ছোট ছোট শহর থেকেও একই রকম উত্তর পাওয়া যাচ্ছে।
দিল্লি, মুম্বাই, আমেদাবাদ, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু ও কলকাতার ৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ভারতমুক্ত সম্পর্কের প্রতি আরও উন্মুক্ত মনোভাবসম্পন্ন হয়ে উঠেছে। একই সময়ে ২২ শতাংশ বলেছেন, একবার বিয়ের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। এসব শহরের মধ্যেও মুক্ত সম্পর্কের বিষয়ে এগিয়ে রয়েছে দিল্লি।
দিল্লির প্রায় ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা বলছেন, তারা একাধিক বিয়ে বা সম্পর্কে কোনো সমস্যা দেখেন না। যদিও ১৫ শতাংশ ব্যক্তির রায় ঠিক তার বিপরীত। মুম্বাইয়ের ৬৯ শতাংশ উত্তরদাতা খোলামেলা সম্পর্কের পক্ষে, তবে ২৬ শতাংশ মনোগামির সমর্থন করেছেন। আবার বেঙ্গালুরুতে ৭০ শতাংশ সম্পর্কের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।
এ পরিবর্তনের প্রভাব দেখা গেছে জয়পুর, লুধিয়ানা, পাটনা, কোচি, গুয়াহাটি এবং ইন্দোরের মতো শহরে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা স্বাধীন সম্পর্ককে সমর্থন জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে গুয়াহাটির ৮৬ শতাংশ উত্তরদাতা নতুনের পক্ষে নিজের মত জানিয়েছেন। জয়পুর ৭৭ শতাংশ, লুধিয়ানা ৭৪ শতাংশ মানুষ একাধিক সম্পর্কের পক্ষে। পাটনার মতো শহরে ৬৫ শতাংশ উত্তরদাতার মত একাধিক সম্পর্কের দিকেই।