
গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই আগ্রাসন শুরুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তার পরিবারের তিন সদস্যসহ হত্যা করা হয়।
এরপর হাতের মুষ্ঠি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও। ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড এবং উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে। এখন পর্যন্ত ইরান একাই ১০টির বেশি দেশের বিরুদ্ধে বীরদর্পে লড়ে যাচ্ছে।
যুদ্ধের সপ্তম দিন আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) বাদ জুমা দেশটিতে খামেনির স্মরণে পালিত হয়েছে শোক মিছিল। এতে অংশ নেন নারী, শিশু থেকে শুরু করে সর্বস্তুরের মানুষ। তারা খামেনির ছবি হাতে রাস্তায় মিছিল করেন এবং দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন।
স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথম জুমার নামাজে অংশ নিতে গিয়ে ইরানিরা তাদের নিহত সর্বোচ্চ নেতার জন্য শোক প্রকাশ করছেন।
সাত দিন আগে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের পর দেশজুড়ে প্রথম জুমার নামাজে অংশ নিতে ইরানি মুসল্লিরা একত্রিত হন। তাদের অনেকের হাতেই ছিল নিহত সর্বোচ্চ নেতার প্রতিকৃতি।
রাজধানী তেহরানের ওপর ভয়াবহ বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও মুসল্লিরা সেটিকে তোয়াক্কা না করে জুমা নামাজের জন্য সমবেত হন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিরোধী স্লোগান দেন।
চলমান হামলার মুখে ইরান সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নামাজের প্রস্তুতিকালে অনেককে ইরানের জাতীয় পতাকাও ওড়াতে দেখা যায়।
সূত্র: আলজাজিরা।