আইসিসির দ্বারস্থ হয়ে যে প্রশ্নের জন্ম দিলেন অপসারিত বিসিবি সভাপতি বুলবুল

স্পোর্টস ডেস্ক
  ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পর পর এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দ্বারস্থ হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তার এমন পদক্ষেপে আইসিসির এক বোর্ড পরিচালকই প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে টুর্নামেন্ট বয়কট প্রশ্নে সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুরোধ উপেক্ষা করেছিলেন তিনি।
ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আইসিসিকে পাঠানো এক চিঠিতে নিজের অপসারণকে ‘অবৈধ’ দাবি করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আমিনুল। বাংলাদেশের সরকার তাকে পদচ্যুত করে তার জায়গায় সাবেক ক্রিকেটার তামিম ইকবালকে অ্যাডহক ভিত্তিতে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার একদিন পরই এই চিঠি দেন আমিনুল।
আমিনুল ইসলামের চিঠির সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু জানা না গেলেও আইসিসির একজন বর্তমান পরিচালক বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তার প্রশ্ন—যে ব্যক্তি আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলতে সরকারের নির্দেশনার আশ্রয় নিয়েছিলেন, তিনি এখন কীভাবে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইসিসির কাছে সুরক্ষা চান?
ওই আইসিসি পরিচালক বলেছেন, ‘সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সরকারী নির্দেশনার কথা বলেছিল, যা আইসিসির বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণ চুক্তিকে উপেক্ষা করার শামিল। এখন সেই বোর্ডই আবার সরকারের তদন্ত ও নির্দেশনার বিরুদ্ধে আইসিসির সংবিধানের সুরক্ষা চাইছে—এটা বিস্ময়কর।’
এর আগে ক্রিকবাজের মাধ্যমেই জানা যায়, এক বিবৃতিতে আইসিসির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের নির্বাচিত বোর্ডের পবিত্রতা রক্ষায় আইসিসির তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অ্যাড-হক কমিটি অবৈধ। তদন্ত প্রতিবেদনও অবৈধ। ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর একটি নিরপেক্ষ তিন সদস্যের কমিশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বৈধতা কোনো সরকার পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল জমা দেওয়া প্রতিবেদনটি ত্রুটিপূর্ণ, খামখেয়ালি এবং আইনগতভাবে অগ্রহণযোগ্য। আইনের চোখে বা বিসিবির সংবিধান অনুযায়ী এর কোনো ভিত্তি নেই।’