মালদ্বীপের ফুভাহমুলাহ দ্বীপে কনস্যুলার সেবা, স্বস্তিতে প্রবাসীরা

ডেস্ক রিপোর্ট
  ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৫১

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোগান্তি কমাতে এবং কনস্যুলার সেবা সহজলভ্য করতে মালদ্বীপের রাজধানী মালে থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরের ফুভাহমুলাহ দ্বীপে দুই দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার ক্যাম্প পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ হাই কমিশন।
শুক্র ও শনিবার ফুভাহমুলাহ্ ও এর আশপাশের কয়েকটি দ্বীপে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য স্থানীয় কাউন্সিল অফিসে এই সেবার আয়োজন করা হয়। দোরগোড়ায় সেবা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ওই অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিরা।
দুই দিনব্যাপী এ ক্যাম্পে ১০০টি ই-পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট এবং ২৮টি বিএমইটি কার্ডের আবেদন নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনি সহায়তা, ওয়েজ আর্নার্স বোর্ডের সদস্যপদ, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং পাওয়ার অব অ্যাটর্নিসহ বিভিন্ন ধরনের কনস্যুলার সেবা দেওয়া হয়।
হাই কমিশনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রবাসীরা জানান, রাজধানী মালেতে না গিয়ে নিজেদের দোরগোড়ায় প্রয়োজনীয় সেবা পেয়ে তারা আনন্দিত। ফুভাহমুলাহ থেকে মালেতে যাতায়াতে বিমানে সময় লাগে প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট, যার ভাড়াবাবদ খরচ হয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।
এর সঙ্গে মালেতে থাকা-খাওয়ার খরচ এবং কাজ বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতিও যোগ হয়। এই অবস্থায় সরাসরি দ্বীপে এসে সেবা দেওয়ার বিষয়টি ‘প্রবাসীবান্ধব ও কল্যাণমুখী পদক্ষেপ’ বলে মনে করছেন তারা।
ভ্রাম্যমাণ এই কনস্যুলার ক্যাম্প পরিদর্শন করেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম। তিনি সেবা নিতে আসা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এসময় হাইকমিশনার বলেন, “প্রবাসী ভাইদের সময়, কষ্টার্জিত অর্থ ও মূল্যবান কর্মঘণ্টার সঠিক মূল্যায়ন করাই হাই কমিশনের মূল লক্ষ্য। রাজধানী থেকে দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে অবস্থানরত স্বল্প আয়ের প্রবাসী ভাইদের দুর্ভোগ কমাতে ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন দ্বীপে ই-পাসপোর্ট ও বিএমইটি নিবন্ধনসহ যাবতীয় কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।”