কেএনএফের পোশাক তৈরিতে অর্থায়ন, নাথান বমসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট
  ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০০:৪৩


কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) ৪০ হাজার সেট পোশাক তৈরিতে ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের অভিযোগে কেএনএফ-এর প্রধান নাথান বমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মামলায় নাথানা লনচেও ওরফে নাথান বম, মংহলাসিন মারমা ওরফে মং, নিয়াজ হায়দার, মো. গোলাম আজম, সাহেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, জামালুল ইসলাম, মো. তৌহিদুল ইসলাম ও মো. মতিউর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।
সিআইডি জানায়, ২০২৫ সালের মে মাসে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী ও হালিশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কেএনএফের ইউনিফর্ম তৈরির সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি গোডাউন ও গার্মেন্টস কারখানা থেকে ২০ হাজার ৩০০ সেট ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম উদ্ধার করা হয়। এরপর ইউনিফর্ম তৈরিতে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক লেনদেন নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি।
তদন্তে ব্যাংক হিসাব, চেক, নগদ অর্থ, ক্রয়াদেশ ও ব্যবসায়িক নথি বিশ্লেষণ করে কেএনএফের ৪০ হাজার সেট চার রঙের ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম তৈরির ফ্যাব্রিক ও সেলাইয়ের কাজ বাবদ ১ কোটি ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে ক্যামোফ্লেজ ফ্যাব্রিক তৈরিতে ৯০ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইউনিফর্ম সেলাইয়ে ৭২ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। মংহলাসিন মারমার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব লেনদেন করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিআইডি জানায়, গত ৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলাটি করা হয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা মামলাটির তদন্ত চলছে। অর্থের উৎস ও প্রবাহ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে মামলায় আনা অভিযোগ তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে জানায় সিআইডি।