ট্রাম্পের শৈশবের বাড়ি বিক্রি হলো ১৯ লাখ ৩০ হাজার ডলারে

ডেস্ক রিপোর্ট
  ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৪৬

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শৈশবের বাড়ি ১৯ লাখ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা নিউইয়র্কের কুইন্সের বাড়িটি সংস্কারের পর আধুনিক আবাসনে রূপ দেওয়া হয়েছিল।
টিউডর স্থাপত্যশৈলীর বাড়িটিতে ট্রাম্প চার বছর বয়স পর্যন্ত বসবাস করেন। তার বাবা ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ফ্রেড ট্রাম্প ১৯৪০ সালে কুইন্সের অভিজাত জ্যামাইকা এস্টেটস এলাকায় পাঁচ শয়নকক্ষ ও তিন বাথরুমের বাড়িটি নির্মাণ করেন। বহু বছর আগেই ট্রাম্প পরিবার বাড়িটির মালিকানা হারায়।
রিয়েল এস্টেট ওয়েবসাইটগুলোতে শুক্রবার বিক্রয়মূল্য ১৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার হিসেবে প্রকাশিত হয়। জুলাইয়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক ক্রেতা বাড়িটি কেনার জন্য চুক্তি করেন।
বাড়িটির বর্তমান বিক্রেতা ডেভেলপার টমি লিন গত বছর ৮ লাখ ৩৫ হাজার ডলারে বাড়িটি কিনেছিলেন। তখন বাড়িটি দীর্ঘদিন খালি ও অবহেলিত অবস্থায় ছিল। পরে তিনি প্রায় ৫ লাখ ডলার ব্যয়ে আট মাস ধরে বাড়িটির সংস্কার করেন। এতে আধুনিক রান্নাঘর, হেরিংবোন কাঠের মেঝে ও স্পার মতো আধুনিক বাথরুম যুক্ত করা হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাড়িটি একাধিকবার হাতবদল হয়েছে। ২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার কয়েক মাস পর বাড়িটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল বলে জিলোর তথ্য থেকে জানা যায়।
এর আগে ‘ট্রাম্প বার্থ হোম এলএলসি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান বাড়িটি কিনেছিল। একসময় বাড়িটি ভাড়ার জন্যও দেওয়া হয়েছিল। তখন সেখানে ট্রাম্পের জীবনাকৃতির কার্ডবোর্ড প্রতিকৃতি, তাঁর লেখা ‘দ্য আর্ট অব দ্য ডিল’ বইয়ের কপি এবং ট্রাম্পকে নিয়ে ‘পিপল’ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের প্রতিলিপি রাখা হয়েছিল।

২০১৯ সালে বাড়িটি ২৯ লাখ ডলার চাওয়া মূল্যে আবার বিক্রির জন্য তোলা হলেও তখন বিক্রি হয়নি। পরে টমি লিন বাড়িটি কিনে সংস্কার করেন।
সংস্কারের আগে বাড়িটির অবস্থা ছিল বেশ নাজুক। একটি পাইপ ফেটে পানি ঢুকে বাড়িতে ক্ষতি ও ছত্রাক তৈরি হয়েছিল। এমনকি সেখানে বন্য বিড়ালের একটি দলও আশ্রয় নিয়েছিল বলে নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া ট্রাম্প পরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ম্যানহাটনে ট্রাম্প টাওয়ার নির্মাণসহ আবাসন ব্যবসায় তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ার রয়েছে। বর্তমানে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি হোয়াইট হাউসেরও বড় ধরনের সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।