বেকার হলো এস আলমের আরও সাড়ে ৪ হাজার কর্মী

ডেস্ক রিপোর্ট
  ০২ আগস্ট ২০২৬, ০০:২৩


চট্টগ্রামে এবার বেকার হয়ে গেলেন এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন কারখানায় কর্মরত প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মী। এলসি জটিলতা, কাঁচামাল সংকটসহ নানা কারণে কোম্পানি তাদের আটটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর আগে এস আলমের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন ব্যাংকের অন্তত দশ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারিয়েছেন। এর মধ্যে সিংহভাগই চট্টগ্রামের পটিয়া, আনোয়ারা বাঁশখালী, চন্দনাইশসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
শুক্রবার এস আলমের যেসব প্রতিষ্ঠান বা কারখানা বন্ধ ঘোষণার নোটিশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- কর্ণফুলী এলাকায় অবস্থিত এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, এস আলম স্টিল, এস আলম ব্যাগ ও চেমন ইস্পাত কারখানা এবং এর একাধিক ইউনিট। 
সূত্র জানায়, এসব কারখানা থেকে এর আগেও জনবল কমানো হয়। কিন্তু এবার প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে জনবল ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কারখানাগুলোতে কর্মরতদের অব্যাহতির নোটিশ দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই কর্মী না থাকলে কারখানাও আর চালু রাখার সুযোগ নেই।
এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্টিজের কর্মকর্তা প্রকৌশলী হাসমত আলী বলেছেন, ৫ আগস্টের পর থেকে নানা ঝক্কি-ঝামেলার মধ্যে যাচ্ছিল কোম্পানির আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কারখানা। কাঁচামাল না থাকা, এলসি খুলতে না পারা, ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকাসহ নানা কারণে কোম্পানি উপায়ান্তর না দেখে কারখানা বন্ধ ও কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হয়েছেন। যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মী ছিল বলে জানান তিনি। তবে যদি কারখানাগুলো চালু করা যায় পরবর্তীতে ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের পুনরায় কাজে ফিরিয়ে আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তবে অন্য একটি সূত্র বলছে, একসঙ্গে এতগুলো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া এবং কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়টি সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।