ব্রিফিংয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন

বিএনপি অবিচারের শিকার হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট
  ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:৪৪

নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ক্ষেত্রে বিএনপি কিছু অবিচারের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। তিনি মনে করেন, ব্যালট পেপারে ধানের শীষের অবস্থান এমন জায়গায় রাখা হয়েছে, যা ভোটারদের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে। এ বিষয়ে প্রতিকার এবং তদন্তের জন্য নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।
মাহদী আমিন বলেন, নির্বাচনে বিএনসিসি ক্যাডেটদের মোতায়েন নিয়ে বিএনপি উদ্বিগ্ন। আমরা মনে করি, তারা কোনও না কোনও মতাদর্শের হতে পারে। তাতে নির্বাচন প্রভাবিত হতে পারে।
তিনি বলেন, তারেক রহমানই সংস্কার নিয়ে পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। এর আগে যাদের সংস্কার নিয়ে কথা বলতে দেখা যায়নি, তারা এখন এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
তিনি বলেন, ইতিহাসে যা অনিবার্য সত্য, সেটা ধারণ করা উচিত। যারা স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিলেন, তারা ইতিহাস বিকৃত করে বয়ান তৈরি করতে চাইলে সেটি অত্যন্ত মর্মাহত করে জাতিকে। সত্য ও ন্যায়সঙ্গত ইতিহাস মানুষের সামনে উপস্থাপন করাই আগামী বাংলাদেশের প্রত্যাশা হওয়া উচিত। ইতিহাস নিয়ে মিথ্যাচার কোনওবেই সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
মাহদী আমিন নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ ও দলীয় সংশ্লিষ্টতা থাকাদের বাদ দেওয়ার দাবি জানান।
তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসার নিশ্চয়তা শতভাগ। এটি বুঝতে পেরে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল বিএনপিকে অনুকরণ করছে।
বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির বরাদ্দ, বেকার ভাতা, ফ্যামিলি কার্ড এবং ভিশনের ধারণাগুলো এখন অন্য দলগুলোর ইশতেহারেও দেখা যাচ্ছে। এমনকি নেতাদের উপাধির ক্ষেত্রেও অনুকরণের সংস্কৃতি দেখা যাচ্ছে, যেটিকে বিএনপি রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের অংশ হিসেবেই দেখছে।

তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা দেখে প্রতিহিংসায় তার বিরুদ্ধে ১৯টি ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমান বরিশাল ও ফরিদপুর যাবেন বলেও জানান তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, বিএনপির ইশতেহার অনেকটাই প্রস্তুত। আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তা ঘোষণার পরিকল্পনা আছে। সেটি চূড়ান্ত হলে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে।